Header Ads Widget

Ticker

6/recent/ticker-posts

You Have to Apply for Admission Test Twice

গত শনিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার মূল্যায়নের ফল প্রকাশিত হয়।আর তারপর থেকেই শুরু হয়েছে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির প্রস্তুতি। এরই মধ্যে জানানো হয়েছে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে শিক্ষার্থীদের ২ বার আবেদন করতে হবে। প্রথম আবেদনের পর যারা বাছাই প্রক্রিয়ায় টিকে যাবেন তারাই কেবল দ্বিতীয় বার ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।


বৃহস্পতিবার রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের অনুষ্ঠিত এক সভায় এইসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

You Have to Apply for Admission Test Twice


বৈঠকে উপস্থিত গুচ্ছে থাকা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মো. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, সভায় তিনটি বড় সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথমত, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেবে, তারপর এই ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয়ত, ইতিমধ্যে ঘোষিত যোগ্যতা অনুযায়ী, ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা আবেদন করবেন। এ জন্য কোনো টাকার প্রয়োজন নেই। এরপর আবেদন করা প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত সংখ্যক প্রার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ দেয়া হবে। যারা ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার জন্য যোগ্য হবেন, সেটি পরে জানিয়ে দেয়া হবে। এরপর যোগ্য প্রার্থীরা ৫০০ টাকা ফি দিয়ে আবার আবেদন করবেন এবং তারাই ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবেন। এ ছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা যাবে।ভুল উত্তরের নম্বর কাটার বিষয়টি প্রচলিত নিয়মেই হবে।


বৈঠক সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্র থাকবে। মূলত এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে বসার ব্যবস্থা অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা তাদের সুবিধামতো কেন্দ্র পছন্দ করবেন।


এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত এক সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা হবে বহুনির্বাচনী প্রশ্নে (এমসিকিউ)। উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা (বাণিজ্য) বিভাগের জন্য আলাদা তিনটি পরীক্ষা হবে। বিভাগ পরিবর্তনের জন্য আগের মতো আলাদা পরীক্ষা হবে না। অর্থাৎ একজন ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী একটি পরীক্ষা দিয়েই যোগ্যতা অনুযায়ী ভর্তির সুযোগ পাবেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমেই নিজ বিভাগের পাশাপাশি অন্য বিভাগভুক্ত বিষয়েও ভর্তি হতে পারবেন। সেভাবে বিষয়ভিত্তিক আসন বরাদ্দ রাখা হবে। ২০১৯ ও ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। এর মধ্যে মানবিক বিভাগের পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৬ থাকতে হবে। বাণিজ্য বিভাগের জন্য মোট জিপিএ-৬.৫ এবং বিজ্ঞানে মোট জিপিএ-৭ থাকতে হবে। তবে এসএসসি ও এইচএসসি—কোনো পরীক্ষায় জিপিএ-৩-এর নিচে থাকলে আবেদন করা যাবে না।


মানবিক বিভাগের পরীক্ষা হবে বাংলা, ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে। এর মধ্যে বাংলায় ৪০, ইংরেজিতে ৩৫ এবং আইসিটিতে ২৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে। ব্যবসায় শিক্ষায় (বাণিজ্য) পরীক্ষা হবে হিসাববিজ্ঞান (২৫ নম্বর), ব্যবসায় গঠন ও ব্যবস্থাপনা (২৫ নম্বর), ভাষা (বাংলায় ১৩ ও ইংরেজিতে ১২ নম্বর) ও আইসিটি (২৫ নম্বর) বিষয়ে। বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ভাষা (বাংলায় ১০ ও ইংরেজিতে ১০ নম্বর), রসায়ন (২০ নম্বর), পদার্থ (২০ নম্বর) এবং আইসিটি, গণিত ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের মধ্যে যেকোনো দুটি বিষয়ে (প্রতি বিষয়ের নম্বর ২০) পরীক্ষা দিতে হবে।


প্রসঙ্গত,পরীক্ষায় কেউ পাস বা ফেল করবে না। প্রত্যেকেই পরীক্ষার ভিত্তিতে একটি স্কোর পাবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের শর্তানুযায়ী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এবং ওই ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।


শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পাবেন। তবে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেয়া শিক্ষার্থীদের কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি নেবে, সেটি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় নিজেরাই ঠিক করবেন।

Post a Comment

0 Comments