28 C
Dhaka

BCS Preliminary Ebook Listing and Guideline By Rudra Anwar

Date:

Share:

BCS preliminary book list and guideline is very important for BCS exam. 41th BCS preliminary exam date will be published soon. BCS MCQ book list and guideline written by Rudra Anwar. You can follow this article. It will be helpful for your BCS preparation. You can download BCS Preliminary Book List and Guideline PDF from this post. PDF download link given bellow.   

বিসিএস
প্রিলিমিনারি গাইডলাইন বুকলিস্ট 

রুদ্র আনোয়ার

বিষয়ঃ বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

বাংলা সাহিত্যের
কোনো সিলেবাস নেই। পিএসসি নির্ধারিত
11 জন বলেও কিছু নেই (সেগুলোর মধ্যে কয়েকজন মোস্ট ইম্পর্টেন্ট, কিন্তু এদের বাইরে ইম্পরট্যান্ট জনগণ/সাহিত্য
কর্মের অভাব নাই)। প্রশ্নের ধারা দেখে কোন লেখক বা কোন গ্রন্থ প্রশ্ন আসে কিছুটা
ধারণা পাওয়া গেলেও কোন টাইপের প্রশ্ন আসবে
, কতখানি ভেতর থেকে প্রশ্ন আসবে তার কোনো ঠিক
ঠিকানা নেই। লাখ খানেক ইনফরমেশন আছে বাংলা বই গুলোতে।

এমন টাইপ
সিচুয়েশনে প্রস্তুতি নেওয়া সবচেয়ে সোজা যদি আপনি ঈমান শক্ত রেখে নিজের হাতে
থাকা সময় আর সামর্থ্য অনুযায়ী একটা লেভেল পর্যন্ত ডিটেলস মনে রাখেন। আমার মতে
বাংলা সাহিত্যে ভালো করার ক্ষেত্রে মোস্ট ইম্পর্টেন্ট ফ্যাক্টর হলো
, যতটুকু পড়লেন ঠিক ততটুকুর মধ্যে ভুল না করা।
আপনি অনেক ডিটেলস পড়লেন
, ২০ টির মধ্যে 18 টি কমন আসলো, ঠিক করলেন 14 টি, ভুল করলেন চারটি, মার্ক পেলেন 12। আরেকজন পড়লো কম পরিসরে, কমন পেলো মাত্র 14 টি, ভুল করলো মাত্র একটি, মার্ক পেলো 12.5। বাস্তবিক ক্ষেত্রে, ম্যাক্সিমাম এমনই ঘটে।

আমি আল্লার
ওয়াস্তে কোনো লেখকের জন্ম তারিখ তো পরের কথা জন্ম সালও জানি না। পাবলিক লেখকদের
জন্ম মৃত্যু সাল মোবাইল নাম্বার বানিয়ে নাকি মোবাইলে সেভ করে রাখে
; কলও দেয় নাকি! লেখক এর জন্ম গ্রাম, ছেলে বেলা, কী করে, সাহিত্য প্রকাশের সাল, কোন ছন্দ , প্রিভিয়াস প্রশ্নে নেই এমন কোনো গ্রন্থের নাম,
নাট্যকাব্য না কাব্যনাট্য
(ভাগের ভেতরের ভাগ বাদ)
, কোন গ্রন্থের
উদ্ধৃতি (ইম্পরট্যান্ট কয়েকটি উক্তি কার সেটা পড়ি) ইত্যাদি লেভেলের ডিলেইলস
কোনদিনও পড়ি নাই। ৪০
, ৩৮ এ কোনো সাল
আসে নাই
; ৩৭,৩৬ এ একটা করে এসেছিল; ৩৫ এ আসে নাই। ৪১-৪২ এ যদি ১-২ টা সাল/ভাগের
ভাগ
, কোন গ্রন্থ এর উক্তি আসে;
আমি পারবো না, আমার দরকারও নেই। আমি ১৭০-১৮০ মার্কের
প্রিপারেশন নেওয়ার পক্ষপাতি। আপনি হাজার পড়ে এখান থেকে ১ নম্বর আনতে পারবেন তো
???
ভাবতে থাকুন; সিদ্ধান্ত আপনাদের- কতটুকু ডিপ লেভেলে পড়বেন।

বাংলা সাহিত্য ও
ব্যাকরণ এর ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় বোঝা আবশ্যক। প্রাইমারি স্কুলের পরীক্ষা
,
হাই স্কুল নিয়োগ পরীক্ষা
এর বাংলা প্রশ্ন অনেক হাবিজাবি জিনিস থেকে হয়। কারণ এগুলোই তাদেরকে পড়াতে হয়
স্কুলে
; অনেক জিনিসই
স্কুলের পাঠ্য। বিসিএস আর প্রাইমারি স্কুলের প্রশ্নের লেবেল কখনোই এক না।

এবার আসি বাংলা
ব্যাকরণ এর বিষয়। শুধু নাইন টেনের ব্যাকরণ বোর্ড বই থেকে হুবহু যে কোনো
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধেকেরও বেশি কমন আসে। আর নিয়ম বা পদ্ধতি সেম ধরলে
প্রায় ৭০%+- কমন আসে। তাই সবার প্রথমে বাংলা ব্যাকরণ বইটি আত্তস্থ ও মুখস্ত থাকা
আবশ্যক। এই বই থেকে কোনো জিনিস আসলে যেনো সেটা ভুল না হয় সেটা নিশ্চিত করা অত্যন্ত
জরুরি। বাংলা ব্যাকরনে বিসিএস প্রিলি সিলেবাসের বাইরে হয়তোবা কালেভদ্রে একটা করে
প্রশ্ন আসে। এর জন্য সিলেবাসে যেগুলো নেই
, সেগুলো পড়ার কোনোই দরকার দরকার নাই অন্তত বিসিএস প্রিলি রিভিশন এর সময়।

বাংলা ব্যাকরণ
বুঝে পড়ার জিনিস। নিয়ম
, প্রকারভেদ,
উদাহরণ ইত্যাদি ভালো মতো
বুঝে বুঝে কনসেপ্ট ক্লিয়ার করে পড়বেন। আবার কিছু জিনিস যেমন সন্ধি
, বানান ইত্যাদি ক্ষেত্রে গাইতে গাইতে গায়েন
হওয়া বেশি কার্যকরী। সন্ধি আর বানানের ক্ষেত্রে আ আর উ মিলে উহ্ হয়
, ইয়ে আর ওয়ে মিলে ইয়োইয়ো হয় ইত্যাদি টাইপের
নিয়মের উদাহরণ পাঁচ খান আর ব্যাতিক্রম সাত খান! এক্ষেত্রে নিয়মের চেয়ে জিনিস
গুলো বারবার পড়ে মুখস্ত করে নেওয়াই ভালো। বাজারের ব্যাকরণ বই গুলো তে বহু
হাবিজাবি জিনিস আছে যা দরকার নেই। দেখে দেখে বেছে বেছে পড়বেন।

বাংলা সাহিত্য,
ব্যাকরনের কিছু অংশ ,
ইংরেজি সাহিত্য, মেন্টাল এবিলিটি এর ক্ষেত্রে জব সলিউশন পড়া
অত্যন্ত কার্যকর। কারণ
, এগুলোর
ম্যাক্সিমাম টপিকস এর কোনো ধারাবাহিকতা নাই
, একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত না, সিলেবাস নেই অধ্যায় ভিত্তিক । এগুলোর ক্ষেত্রে
স্ট্রাকচারালি
, সম্পর্কযুক্ত
অধ্যায়ভিত্তিক জিনিস কম বলে চর্চা করার জন্য জব সলিউশন জিনিস খুবই ভালো।

বেসিক/রেফারেন্স বই:-

লাল নীল দীপাবলি – স্যার ডঃ হুমায়ুন আজাদ (অন্তত
দুইবার রিডিং পড়া উচিত পর্যাপ্ত সময় থাকলে
, তাহলে বাংলা সাহিত্যের বিকাশের ছবিটা একদম
মাথায় গেঁথে যায়। ফলে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগ পড়তে অনেক সুবিধা হয়)

নবম দশম শ্রেণীর ব্যাকরণ বই – যে কোন লেভেলের
যেকোনো সময়ের জন্য বইটি অবশ্যই পাঠ্য এবং আত্মস্থ করা জরুরী।

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ব্যাকরণ – হায়াৎ মাহমুদ
(অত্যাবশ্যক না
, পড়তে পারলে
ভালো)

জর্জ mp3(সাহিত্য + ব্যাকরণ একসাথে):-

মূলত বিভিন্ন
প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি ও চাকুরী পরীক্ষার প্রিভিয়াস প্রশ্ন ভিত্তিক কার্যকরী বই।
সাথে হালকা কিছু আলোচনা রয়েছে। অপ্রাসঙ্গিক জিনিস নাই বললেই চলে। যেকোনো
পরীক্ষায় মোটামুটি ৮০-৮৫% কমন পড়ে এই বই থেকে।

অগ্রদূত বাংলা
(সাহিত্য+ব্যাকরণ একসাথে):-

প্রতিযোগিতামূলক
প্রিভিয়াস সব কোশ্চেন এর পাশাপাশি আরো অনেক ডিটেলস পাবেন এই বইতে। বিসিএস বাংলা
লিখিত পরীক্ষায় ৩০ মার্কের যে সাহিত্য সংক্রান্ত তিন মার্ক করে প্রশ্ন আসে
,
সেগুলোও কভার করবে এই
ডিটেলস গুলো থেকে। ব্যাকরণ অংশ প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট। যারা একটু
ডিটেলস পড়তে পছন্দ করেন তাদের জন্য উপযোগী বই। এই বই থেকে প্রায় শতভাগই (৯০%+)
কমন পাবেন বলে আশা রাখা যায়।

সাহিত্য কথা-
রানা ঘোষ স্যার+একুশে বাংলা ব্যাকরণ:-

একটি বই
সাহিত্যের জন্য আরেকটি ব্যাকরণের জন্য। রানা ঘোষ স্যারের বইটা যথেষ্ট সমৃদ্ধ এবং
মোটামুটি নির্ভুল। একুশে বাংলা ব্যাকরণ এ প্র্যাকটিস করার মত অনেক প্রশ্ন আছে।
বইটি ভালো লেগেছে
, যদিও attested
অর্থ প্রত্যায়ন দেওয়া
আছে!

প্রফেসরস বাংলা (সাহিত্য+ব্যাকরণ
একসাথে):-

গতানুগতিক
প্রফেসর স্টাইলে প্রিভিয়াস কোশ্চেন ভিত্তিক গাইড বই। ব্যাপার-স্যাপার অলমোস্ট
জর্জ
mp3 এর মতো।

হাতে একদমই সময়
নেই
, কিছুই পড়া হয়নি,
ডাইজেস্ট এও অনেক বেশি
লাগতেছে
, বাংলা পড়তে
একদমই অসহ্য লাগে লাগে কিংবা দুই-তিনবার প্রিলিমিনারি পাস করেছেন
, এবার সময় কম – এই নির্দিষ্ট টাইপ পাবলিকদের
জন্য আমিনুল ইসলাম মিলন স্যারের স্বপ্ন সিরিজের সাহিত্য ও ব্যাকরণ বই দুটি উপযোগী।
মূলত এটি হ্যান্ডনোট টাইপের
, কোচিং এর লেকচার
টাইপ।
Math hour এর লেখক আরিফ
ভাইয়েরও বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যের উপরে একসাথে এরকম একটি হ্যান্ডনোট টাইপের বই
আছে
, চাইলে সেটাও দেখতে পারেন।
বইগুলো দেখতে-শুনতে চিকন হলেও বইগুলো ভালো। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা কুইক রিভিশন এর
জন্য এগুলো ফলো করতে পারেন

MCQ অনুশীলন বই:-

সাহিত্য MCQ
অনুশীলনের জন্য মোহসিনা
নাজিলা আপুর মডেল টেস্ট এবং ব্যাকরণ
MCQ অনুশীলনের জন্য শরিফ ওবায়েদুল্লাহ ভাইয়ের MCQ প্রাক্টিস বই দুটি ভালো লেগেছে।

বিষয়ঃ ইংরেজি গ্রামার

ইংরেজি আমাদের
জাতীয় সমস্যা। বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি খারাপ করে আর ফেল করে
ইংরেজিতে। কম্পিটিটিভ যেকোনো এক্সামের জন্য ইংরেজিতে খুব শক্ত বেসিক থাকা
, গ্রামারে কনসেপ্ট ক্লিয়ার রাখা, ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং পারা, অনুবাদ-ট্রান্সলেশনের দক্ষতা থাকা অত্যন্ত
জরুরী। আপনি ইংরেজি আর অংক ভালো পারলে আপনার ভালো চাকরি হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
যাইহোক ইংরেজির গুরুত্ব নতুন করে বলার কিছু নাই।

ইংরেজির জন্য
আপনাকে একটা কনক্রিট প্ল্যান করে আগাতে হবে। কোনোভাবেই দুর্বল থাকা চলবে না। এখন
থেকে শুরু করে যতদিন পর্যন্ত চাকরির পড়া পড়বেন
, ততদিন পর্যন্ত কোন কোন চ্যাপ্টার কোথা থেকে
পড়বেন/পড়েছেন
, কোনটার পরে কোনটা
পড়বেন
, কোন এক্সামের
জন্য কোনটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা নোট খাতায় লিখে প্ল্যান করে নেওয়া ভালো। একদম সহজ
জিনিসগুলো বা আপনি যা এমনিতেই পারেন সেগুলো কেটে কেটে পড়বেন
; রিভিশনের সুবিধা হবে। যারা ব্যাংক পরীক্ষা দেন
বা দেবেন
, তাদের আরো ডিপ
লেভেল পড়া লাগবে এটাও মাথায় রাখবেন
; বিসিএস আর ব্যাংক প্রশ্ন প্যাটার্নের এনালাইসিস খাতায় লিখে রাখবেন।

তেমন কোনো কিছুও
যদি না বুঝেন
, তবুও প্রতিদিন এক
ঘন্টা ইংরেজি পেপার/ইংরেজি আন্তর্জাতিক খবর /ইংরেজি সিনেমা
, ইংরেজি সিরিয়াল (সাবটাইটেল থাকলে বুঝতে সুবিধা
হবে) ইত্যাদির অভ্যাস এর পাশাপাশি নিয়মিত গ্রামার চর্চা আপনাকে এগিয়ে দেবেই।
আমার মতে
, মাতৃভাষা বাংলার
মত করে ইংরেজি দেখে ও শুনে শেখা সবচেয়ে সহজ এবং ইফেক্টিভ। বিশ্বাস করেন
, আপনি যদি প্রতিদিন 20 মিনিট করে ডেইলি স্টার পড়েন, 20 মিনিট সিএনএন/বিবিসির আন্তর্জাতিক
খবর(ইউটিউবেও দেখতে পারেন) আর
20 মিনিট করে
ফেসবুকে ইংরেজিতে চ্যাট বা কমেন্ট প্রাকটিস করেন
; আপনি এই ভাবে ১ ঘন্টা ইংরেজির পেছনে দিলে ২
মাসে উন্নতি করবেনই। দেখে আর শুনে ইংরেজি শিখলে আস্তে আস্তে গ্রামার আর কমন মিসটেক
এমনিতেই ধরতে পারবেন। ভাষার ক্ষেত্রে গাইতে গাইতে গায়েন হবার চেয়ে বড় ওষুধ আর
নাই।

✓ P.C. Das grammar অথবা

✓ A passage to the English
Language অথবা

✓ Common mistakes (যেকোনো একটি বেসিক বই পড়ার পরে এটা অবশ্যই
পড়তে হবে। আর যাদের বেসিক আগে থেকেই মোটামুটি
, তাদের বেসিক বই পড়ার দরকার নেই। তারা একটা
গাইড শেষ করার পরে অবশ্যই পড়বেন। মোট কথা
, আমার মতে এই বইটা অবশ্যই পাঠ করা উচিত সবারই।)

ফেসবুকের বিভিন্ন
গ্রুপের কল্যাণে আপনারা ইতোমধ্যেই ইংরেজি বই নিয়ে বহু জনের বহু কমেন্ট
, মতামত , অমুক বইয়ে এতটা ভুল, লেখক-লেখক তর্ক যুদ্ধ , ফেক আইডির আস্ফালন, অমুকে ইংলিশের কিছুই জানে না ইত্যাদি বিষয়
দেখে অভ্যস্ত। ভবিষ্যতে এ ধরনের সার্কাস আরো বেশি পরিমাণে দেখবেন হয়তোবা।

এ ব্যাপারে আমি
আমার অবস্থান ক্লিয়ার করতে চাই। আমরা চাকরি প্রত্যাশীরা ইংরেজি রিসার্চ/পিএইচডি/
ডক্টরেট করতে আসিনি। আমাদের দরকার ইংরেজিতে মোটামুটি লেভেলের কিছুটা জ্ঞান আয়ত্ত
করে চাকরির পরীক্ষায় ভালো করা। বাজারে প্রচলিত প্রতিটা গাইড বইয়েই ভুল আছে
কম-বেশি। আর এটাও সত্য বাজারে বেশ কিছু খুবই নিচু মানের ইংরেজি বই আছে
, সেগুলো থেকে দূরত্ব বজায় রাখা আবশ্যক।

যারা নিখুঁত
গ্রামার জানতে চান
, ক্যাপাবিলিটি আছে;
তারা সরাসরি Cambridge
Grammar, Raymond Murphy, John Langan, Pearson, Cliffs/Barrons TOFEL ইত্যাদি রেফারেন্স বই পড়ুন। আমি গাইড বইয়ের
ধরন সম্পর্কে আলোচনা করছি
; বাকিটা আপনাদের
বিবেচনা। আমার এই পোস্টে অমুক বইয়ের এই ভুল সেই ভুল এসব কমেন্ট/ কোনো বইয়ের
শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করতে আসা অর্থহীন।

বিসিএস ও ব্যাংক
প্রস্তুতির জন্য অলরাউন্ডার একটা বই। প্রচুর বিগত বিসিএস
, অন্যান্য সরকারি চাকরি, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি, ব্যাংক প্রশ্নের উত্তর আর প্র্যাকটিস করার
ম্যাটেরিয়ালস আছে। অধ্যায় ভিত্তিক আলোচনা এবং ভালোমতো ব্যাখ্যা করে দেওয়া আছে
রুলস আর প্রশ্নের সমাধান। যাদের ইংরেজিতে বেসিক মোটামুটি এবং ধৈর্যশীল তারা এই
বইটি সরাসরি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে পারলে অবশ্যই লাভবান হবেন। দুর্বলরা
যেকোনো একটি বেসিক বই শেষ করে এ বইটি দেখতে পারেন।

Competitive Exam (Professor’s):-

বইটিতে অধ্যায়
ভিত্তিক রুলসের ব্যাখ্যা কম
, গ্রামার নিয়ে
আলোচনা কিছুটা কম কিন্ত বিগত সালের বিসিএস
, অন্যান্য চাকরির পরীক্ষা, ব্যাংক, ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ব্যাখ্যা সহকারে সমাধান
দেওয়া আছে। যাদের গ্রামারে খুব বেশি সমস্যা নেই
, যাদের হাতে সময় কম এবং রিভিশন এর জন্য এবার
এটি খুবই উপযোগী। যেকোনো একটি বেসিক বই কিংবা গাইড বই পড়ে কম সময়ে রিভিশনের জন্য
বা প্র্যাকটিসের জন্য বা ইম্পরট্যান্ট জিনিস গুলো দ্রুত দেখে যাওয়ার জন্য এ বইটি
অতুলনীয়।

অথবা

যারা ইংলিশে
একেবারে দুর্বল
, ইংলিশ দেখলে ভয়
পান
, ভালো লাগে না, তেমন কিছুই বোঝেন না ইংলিশের তাদের জন্য এ বইটি
খুবই উপযোগী হবে বলে আমার ধারণা। বইটিতে অনেক উদাহরণ ও উপস্থাপনার মাধ্যমে ছোট ছোট
জিনিস গুলোও বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে দেওয়া আছে। ওভারঅল সাজানো-গোছানো। বইটি বুঝে
বুঝে শেষ করতে পারলে বিসিএস এর জন্য মোটামুটি কভার হবে। যাদের বেসিক বই পড়তে
অনীহা/পিসি দাস বুঝতেও সমস্যা হয়
, তারা এই বইটি
দিয়ে শুরু করতে পারেন। ব্যাংকের জন্য উপযোগী নয়।

BCS Basic Grammar, Rahat Sir:-

যাদের বেসিকে
তেমন কোনো সমস্যা নাই
, যারা ফাঁকিবাজ,
কম পড়তে চান – তাদের
জন্য উপযোগী। প্রতিটা অধ্যায়ে পরীক্ষায় আসার মতো
rules গুলো বর্ননা করে easy, medium, hard ৩ ভাগে ভাগ করে অনুশীলনী দেওয়া। অতি দ্রুত
জিনিসগুলো দেখে শেষ করা যায়। বিসিএস ও ব্যাংক প্রস্তুতিতে মোটামুটি সাহায্য করবে।
বিগত প্রশ্ন আলাদা করে দেওয়া নাই। বইটি ভালো কিন্তু কেনার আগে ফরমেট দেখে কিনবেন।

জানার কোনো
বিকল্প নেই

✓ Oracle mnemonic (for details)

✓ Saifur’s student vocabulary (in
short)

✓ Touhid’s mnemonic power

এটা মূলত লিখিত
এর জন্য।

✓ How to learn written English –
Mostofa Kamal (Basic & Details)

✓ Saifur’s Translation (for practice
only, previous question solution based)

এটাও মূলত লিখিত
এর জন্য।

✓ Editorial News – Sterling
Publications

✓ Mohid’s monthly editorial

বিষয়ঃ ইংরেজি সাহিত্য

এই পার্টের জন্য 35 তম বিসিএস থেকে প্রশ্ন পর্যালোচনা করলে বোঝা
যায়
, চল্লিশের আগে
পর্যন্ত গতানুগতিক প্রশ্ন এসেছে। পিএসসির সহ বিভিন্ন পরীক্ষার প্রিভিয়াস প্রশ্ন
,
খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ
থেকেই মোটামুটি কমন পাওয়া গেছে। ৪০ এ এসে প্রশ্ন অনেক কঠিন হয়েছে হঠাৎ করেই।
আমার মতে
, 40 এর প্রশ্ন দেখে 41 এর জন্য খুব বেশি কিছু যোগ করে পড়ার দরকার
নেই।

ইংরেজি সাহিত্যে
একটা ট্রেড অফ আছে। লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি সাহিত্যের জন্য কোনো মার্ক নেই। প্রিলি
পরীক্ষায় ১৫ নম্বর। মোটামুটি ইম্পরট্যান্ট আর প্রিভিয়াস প্রশ্ন থেকেই ৮-৯ মার্ক
কমন আসে। আরেকটু বেশি জিনিস ভালো করে পড়লেই ইংরেজি সাহিত্য ১০-১১ মার্ক তোলা খুবই
পসিবল। তাই মোটামুটি পড়ে ৭-৮ মার্ক তুলবেন এখান থেকে নাকি ১০-১১ তোলার টার্গেট
নেবেন ভালোমতো ডিপলি পড়ে – এ ডিসিশন আপনাকে নিতে হবে। যেহেতু ইংরেজি সাহিত্য
লিখিততে কোনো কাজে আসে না
, তাই অনেকেই এখানে
খুব বেশি না পড়ে সেই বেচে যাওয়া সময় ও শ্রম অন্য সাবজেক্টে ইনভেস্ট করে ওভারঅল
লাভের আশায়। আবার অনেকে ইংরেজি সাহিত্য ভালো মতো পড়ে
10-12 নম্বর তুলে নেয়। প্রিলিতে তো সব প্রশ্নের মান
1। যেকোনো ভাবে পাশ মার্ক
হলেই হলো।

বেসিক/রেফারেন্স বই:-

ইংরেজি সাহিত্যের জন্য আমার মতে কোনো বেসিক
বইয়ের প্রয়োজন নাই। যুগবিভাগ ও কবি সাহিত্যিকদের ধারা এবং তৎকালীন শাসকদের
শাসনকাল সম্পর্কে জানতে ইউটিউবে কয়েকটা ভিডিও দেখলেই হবে। কিন্তু এটুকু অবহেলার
বিষয় না । যুগ বিভাগ
, যুগের বৈশিষ্ট্য
ও শাসক সম্পর্কে না জানা থাকলে অনেক কিছুই কোথা থেকে কি হলো তা পরবর্তীতে মনে
থাকবেনা।

See also  HSC Result 2022 Marksheet with Number Published by Web Based Result 2021

A Handbook on English Literature:-

শরীফ স্যারের
বইয়ে অনেক কিছুই বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে বর্ণনা করা আছে। কোন লেখক
এর কোন জিনিসটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো বোর্ড করা
, পাশে সাইড নোট করে দেওয়া, একই নামের সাহিত্য গুলি আলাদা করে মার্ক করে
দেওয়া। বাহুল্য বর্জিত সহজ ভাষায় বর্ণনা আছে সাহিত্যকর্মের সারাংশ
, চরিত্র ও ডায়লগ। বইটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ
বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিটা যুগের শেষে একসাথে সেই যুগের সাহিত্যিকদের প্রশ্নগুলো
দেওয়া। এভাবেই প্রশ্ন গুলো দেখলে বোঝা যায় ঠিক কতটা আয়ত্ত করতে পারলাম।

Miracle English Literature:-

বইতে
বিস্তারিতভাবে বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমে বর্ণনা রয়েছে। অনেক ডিটেলস পাওয়া
যাবে। গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্মের সারাংশ দেওয়া হয়েছে আরো বিশদভাবে
, চরিত্র ব্যাখ্যা আছে, আছে সাহিত্যকর্মের কোটেশন এর বাংলা। সাহিত্যিক
ভিত্তিক
MCQ দেওয়া আছে।
ইংরেজি সাহিত্যের জন্য প্রতিটা লেখক এর পরে আলাদা আলাদা প্রশ্নটা ঠিক উপযোগী নয়
আমার মতে। বরং এক্ষেত্রে যুগ ভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক নিজের মুখস্থ বিদ্যাকে যাচাই
করতে অনেক বেশি সহায়ক।

Touhid Mnemonic Literature:-

বইটাই একটু
আলাদাভাবে তথ্যগুলো সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে মনে রাখার সুবিধার্থে। প্রয়োজনীয়
ডিটেলস মোটামুটি দেওয়া আছে। নেমোনিক এর ভক্তদের জন্য বইটা সুখপাঠ্য।

বিষয়ঃ গণিত

শুধু বিসিএস না,
যেকোনো পরীক্ষার জন্য
গণিতের গুরুত্ব নতুন করে বোঝানোর কোনো কিছু নাই।বিসিএস প্রিলিতে খুব কঠিন গণিত
আসেনা। গণিত যে কোনো একটা বই ধরে বুঝে বুঝে একটু প্র্যাকটিস করলে বিসিএস প্রিলিতে
১২+ পাওয়া যায়। কিন্তু বিসিএস প্রিলি তো আর সব না
, লিখিত দিতে হয়, ব্যাংক, অন্যান্য পরীক্ষার জন্য গণিত লাগে। সবকিছু
একত্রে মিলিয়ে প্ল্যান করে এগিয়ে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। গণিত নিয়ে একটা
পরিপূর্ণ গাইডলাইন দেবার চেষ্টা করছি তিন ভাগে ভাগ করে।

দুর্বল/নতুন শুরু
করছেন।

মোটামুটি পারেন,
কিছুদূর এগিয়ে আছেন,
কিছু সমস্যা আছে।

বেসিকে কোনো
সমস্যা নাই
, এডভ্যান্স
লেভেলের+যাদের ব্যাংকও টার্গেট।

গাইডলাইনটা খুব
ভালো মত বোঝার চেষ্টা করবেন
, এরপর নিজের
চাহিদা ও অবস্থান মোতাবেক সেভাবে প্ল্যান করে আগাবেন। আমার বিশ্বাস
, আপনি সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন যদি নিজের জন্য
কিভাবে পড়াটা উপযোগী হবে সেটা বুঝতে পারেন।
Keep it simple, Keep it
smart; Act smart accordingly. প্রথমে বই
পরিচিতি
, পরে গাইডলাইন।

বেসিক/রেফারেন্স বই:-

ষষ্ঠ থেকে নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ গণিত

নবম-দশম শ্রেণীর উচ্চতর গণিত

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর গণিত

এখানে বিবেচ্য
বিষয় হলো- আপনার জন্য দরকার কতটুকু
, কতটুকু সিলেবাসের মধ্যে আছে, কতটুকু ভবিষ্যতে
দরকার হবে সেটা আপনাকেই বুঝতে হবে। বর্তমানে বাজারে এইসব টেক্সটবুক ভিত্তিক বই আছে
যেমন
Math Hour অথবা প্রিসেপটর্স
অথবা কনফিডেন্সের ছানোয়ার স্যারের বই। সেগুলোও দেখতে পারেন। এগুলো থেকেও বেছে
বেছে করতে পারেন।

Khairul’s Basic Math:-

যারা গণিতে
দুর্বল
, একদম বেসিক লেভেল
থেকে শিখতে চান তাদের জন্য উপযোগী এই বইটা। খায়রুল ভাই নিজস্ব স্বভাবসুলভ
ভঙ্গিমায় ভালোমতো ব্যাখ্যা করে গণিত বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। তার ব্যাখ্যা
,
স্টাইল, উপস্থাপন আমার মতে খুবই কার্যকরী । পর্যাপ্ত
ব্যাখ্যার সঙ্গে শর্টকাট প্রসেস
, ডিটেলস ও প্রচুর
প্র্যাকটিস করার জন্যও গণিত আছে।

 ম্যাথ আওয়ার মূলত ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর
সাধারণ
,উচ্চতর গণিত
ভিত্তিক বই হলেও লেখক ভালোমতো ব্যাখ্যা করেছেন নিজের মতো করে। তার নিজের কিছু
ইফেক্টিভ
, স্মার্ট ইনপুট
আছে গণিতকে সহজ ভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। সাজানো-গোছানো বই। লিখিত পরীক্ষার
জন্যও খুব ভালো সাপোর্ট দেবে বইটি।

 বেসিক ম্যাথ থেকে শুরু করে ব্যাংকসহ অন্যান্য
পরীক্ষার জন্য উপযোগী কিছু জটিল অংক ধাপে ধাপে সাজানো-গোছানো আছে। যারা মোটামুটি
গণিত বোঝেন তাদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা রয়েছে। উদাহরণ প্র্যাকটিস মিলে প্রচুর
ম্যাথ আছে।

Professor’s গণিত স্পেশাল:-

যাদের যে কোনো
একটা বই ভালোভাবে শেষ হয়ে গেছে
, স্পেসিফিক তেমন
কোনো দুর্বলতা নাই
, তাদের জন্য বইটি
উপযোগী। এতে খুব বেশি ব্যাখ্যা নেই কিন্তু প্র্যাকটিসের জন্য প্রচুর ম্যাথ আছে
চ্যাপ্টার ভিত্তিক। মূলত প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন এক্সামের প্র্যাকটিসের জন্য এই
চমৎকার বইটি।

গণিত
গাইড লাইন

যারা গণিতে
দুর্বল আছেন বা যারা নতুন শুরু করছেন জবের জন্য গণিত করা তাদের জন্য আমার সাজেশন
থাকবে নিম্নরূপ:-

বুঝে বুঝে বেসিক
ক্লিয়ার করে গণিত শেখা। দরকার পরলে ক্লাস সিক্সের গণিত থেকে শুরু করা। কোনো
গুরুত্বপূর্ণ জিনিস না বুঝে স্কিপ করবেন না। প্রতিটা সূত্র কিভাবে আসলো
, কেনো আসলো , কোথা থেকে আসলো, সূত্রের প্রমাণ ইত্যাদি বোঝা + জানা খুবই জরুরি
। অনেকেই এই পার্ট টুকুই স্কিপ করেন
, এটা করবেন না। বেসিকের শুরু কিন্তু এখান থেকেই। প্রথমে শর্টকাট শেখার কোনো
মানেই হয়না। ব্যাংক বাদে অন্যান্য সকল পরীক্ষার প্রিলিতে পর্যাপ্ত সময় থাকে
গণিতের জন্য
, শর্টকাটের কোনো
দরকারই হয় না। বরং শর্টকাট এর চেয়ে তাড়াতাড়ি ক্যালকুলেশন করার অভ্যাস
,
প্র্যাকটিস আপনাকে সকল
পর্যায়ে বেশি হেল্প করবে। বিস্তারিত জানলে
, প্রসেস বুঝলে নিজে নিজেই শর্টকাটে করতে পারবেন।
আমি তেমন কোনো শর্টকাট জানি না
, বীজগণিতে শুধু a+b
হোলসস্কয়ার সূত্র মনে
রাখতে পারি
; এখান থেকে
বাদবাকি ১০-১৫ টা উৎপাদক সূত্র বের করে নিয়ে বীজগণিত করি। সমস্যা হয়নি আজ
পর্যন্ত সূত্র মুখস্ত করিনি বলে কিংবা শর্টকাট পারিনা বলে। আপনারা এক্ষেত্রে ম্যাথ
আওয়ার কিংবা খাইরুল বেসিক ম্যাথ দিয়ে শুরু করতে পারেন। বিসিএস প্রিলির জন্য যে
কোন একটা বই ভালোভাবে শেষ করে যথেষ্ট।

যারা গণিতে
মোটামুটি কিংবা কিছুদূর এগিয়ে আছেন
, কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা আছে এখনো:-

আপনাদের কাছে যে
বই আছে সে বই থেকে যে যে জায়গায় বেশি সমস্যা হয় সেগুলো আবার দেখুন। সমস্যা
যুক্ত জায়গাগুলোর বেসিক ক্লিয়ার করতে উদ্যোগী হন। বেসিক শক্ত করতে ইউটিউব বা
অন্য কারোর হেল্প নেন। আপনার এখন দরকার প্রচুর প্র্যাকটিস। এটাই আপনার জন্য
সবচেয়ে বেশি কাজে দেবে। এজন্য শাহীন
স ম্যাথ কিংবা প্রফেসর গণিত স্পেশাল বইটা হতে পারে আপনার জন্য আদর্শ। জব
সলিউশন থেকে অংক গুলো নিজে নিজে বিস্তারিত সলভ করার চেষ্টা করুন
, লাভবান হবেন। শাহীনস ম্যাথ কিংবা প্রফেসর গণিত স্পেশাল বই শেষ
করার পরে আপনারা সরাসরি চাইলে ব্যাংক ম্যাথ বাংলা বই শুরু করতে পারবেন ব্যাংকের
জন্য।

বেসিক সমস্যা নাই,
এডভান্স লেভেলের+যাদের
ব্যাংকও টার্গেট:-

আমার মতে আপনাদের
জন্য সবচেয়ে উপযোগী করে হলো
shahin’s ম্যাথ কিংবা Khairul’s ব্যাংক MCQ
শাহীনস ম্যাথ ব্যাংকের
জন্য পুরোপুরি সাপোর্ট না দিতে পারলেও
, আপনাকে অন্তত ৭০% এগিয়ে রাখবে। বই পড়ার সময় সহজ ম্যাথ কেটেকুটে , গুরুত্বপূর্ণ গুলো দাগিয়ে পড়বেন যেনো
পরবর্তীতে রিভিশনের সময় ৫০% পড়া কমে যায়।

আপনাদের গণিত
যাত্রা শুভ হোক এই কামনায়

বিষয়ঃ মানসিক দক্ষতা

বিসিএস প্রিলি ও
রিটেন দুই পার্টের প্রস্তুতি একসঙ্গে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে মানসিক দক্ষতার
ক্ষেত্রে। প্রিলি ও রিটেন সিলেবাস প্রায় এক। এই পার্টের জন্য
35 তম বিসিএস থেকে প্রশ্ন পর্যালোচনা করলে বোঝা
যায়
, মোটামুটি গতানুগতিক
প্রশ্ন এসেছে
; 10 শতাংশ কঠিন
প্রশ্ন/ কনফিউজিং প্রশ্ন।

বেসিক/রেফারেন্স বই:-

এক্ষেত্রে আলাদাভাবে বেসিক কোনো বইয়ের দরকার
নেই। গাণিতিক যুক্তির বেসিক থেকে অনেক প্রশ্ন আসে। গণিতের বেসিক ক্লিয়ার থাকলে
সেগুলো সহজেই পারবেন। বিসিএস প্রিভিয়াস প্রশ্ন থেকেই বেশ কয়েকটা হুবহু কিংবা
নিয়মের মধ্যেই কমন পাবেন। যেগুলো কঠিন প্রশ্ন আসে সেগুলোর জন্য ইন্ডিয়ান
ওয়েবসাইট ফলো করার কোনো কারন দেখিনা। বরং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিভিন্ন পরীক্ষার
মানসিক দক্ষতা অংশের প্রশ্নগুলো সমাধান+ মডেল টেস্ট পেপার সমাধান করা অনেক বেশি
কাজের।
এক্ষেত্রে
গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক শেয়ার করতে চাই।

গাইড পড়ার সময়
প্রথমবারে যে সকল জিনিস একদম সহজ
, বাঁশ নিয়ে কেউ
পিছন থেকে তাড়া করা অবস্থাতেও সলভ করতে পারবেন – সেগুলো কলম দিয়ে আজীবনের জন্য
কেটে দেন। বইয়ের জন্য খুব বেশি মায়া থাকলে পেনসিল দিয়ে কেটে দিতে পারেন। সহজ
নিয়মের প্র্যাকটিস গুলোও কেটে দেবেন। কেটে দিবেন বিসিএস প্রিভিয়াস কোশ্চেনের
একদম সহজ অংশটুকু। বার বের করা
, কয়টা ত্রিভুজ
আছে গুনে বের করা ইত্যাদি প্র্যাকটিসের বিষয় এবং নিজের মতো করে করবেন। একই জিনিস
একাধিক নিয়মে মনে রাখার দরকার নাই।

এন্টোনিম,
সিনোনিম, বানান, এনালজি, সমার্থক, বিপরীত শব্দ ইত্যাদি জিনিস বাংলা ও ইংরেজি
বইয়েও আছে। এগুলো যেকোনো একটা সোর্স থেকে একবারই দাগিয়ে কেটেকেটে পড়বেন এবং
কোথা থেকে পড়তেছেন সেটা গাইডে লিখে রাখবেন।

এইভাবে প্রথমবার
পড়ার পরেই যেনো গাইডের
40-50 শতাংশ জিনিস বাদ
চলে যায়। তাহলে রিভিশন দেবার সময়
2-3 দিনে টোটাল বিষয়টা ভালোভাবে শেষ করতে পারবেন। আর এই রিভিশনের সময় সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো
, টেকনিকগুলো,
যা আপনার মনে থাকে না
সেগুলো হাইলাইটার দিয়ে দাগিয়ে রাখবেন। এতে বিসিএস প্রিলির আগের সপ্তাহে কয়েক
ঘন্টায় হাইলাইটেড অংশটুকু পড়ে বইটা রিভিশন দিতে পারবেন। যখন কয়েক মাস পর
পুনরায় রিটেন দিবেন তখন আবারও নরমালি দাগানো অংশটুকু দুই তিন দিনে শেষ করতে
পারবেন এবং লিখিত পরীক্ষার আগের রাতে কয়েক ঘন্টায় হাইলাইটেড অংশগুলো দেখে হলে
যেতে পারবেন।

Khairul’s Mental Ability:-

খাইরুল ভাই নিজের
স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় সাবলীলভাবে ব্যাখ্যা করে সিলেবাসওয়াইজ টপিক ভিত্তিক
জিনিসগুলো চমৎকারভাবে সাজিয়েছেন। পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যাখ্যা
, MCQ এবং প্র্যাকটিসের সুযোগ আছে।

Shahin’s Mental Ability:-

নতুন এডিসনের
বইটা যথেষ্ট পরিচ্ছন্ন ও স্ট্রাকচার্ড মনে হলো। যথেষ্ট পরিমাণে উদাহরণ
, ব্যাখ্যা আছে।

অন্যান্য
প্রফেশনাল সিরিজের তুলনায় ভুল কম পেয়েছিলাম এইটাতে। খুব বেশি ব্যাখ্যা না থাকলেও
প্র্যাকটিস ম্যাটেরিয়াল গুলো ভালো আছে।

বিষয়ঃ সাধারণ বিজ্ঞান

এই পার্টের জন্য 35 তম বিসিএস থেকে প্রিলিমিনারি প্রশ্ন
পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়
, প্রায় সমস্ত
টপিকস থেকে ঘুরে ফিরে প্রশ্ন এসেছে। সাধারণ বিজ্ঞান এর প্রিলি সিলেবাস থেকে
আলাদাভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টপিক গুলো চিহ্নিত করা কিংবা পার্টিকুলার কোন
টপিকস বাদ দেওয়া খুবই দুরূহ কাজ। তবুও কয়েকটা মোস্ট ইম্পর্টেন্ট টপিকস আছে যেখান
থেকে প্রায় প্রতিবারই কোশ্চেন এসেছে। এর মানে হলো
, ওভারঅল সিলেবাস এর উপরে প্রিপারেশন নিতে হবে।
রোগ ব্যাধি
, ভাইরাস, আধুনিক কৃষি, জেনেটিক্স, সুনামি ইত্যাদি টপিকস এর উপরে সাম্প্রতিক চলমান
আলোচিত ইস্যু থেকে প্রশ্ন হয়
, এটা একটু খেয়াল
রাখবেন। প্রচুর মানসম্মত নৈবেত্তিক প্র্যাকটিস করার কোনো বিকল্প নেই।

প্রশ্নের ধারা
কঠিনতর হচ্ছে দিন দিন
, ডিপ লেভেল থেকে
প্রশ্ন আসছে। যারা সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর স্টুডেন্ট
, তাদের জন্যও এখনকার ধারাতে বিজ্ঞানে 15 তে 10 পাওয়া অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর্টস, কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর দুর্দশা নাইবা বলি।
বিজ্ঞান এমন একটা সাবজেক্ট যা না বুঝে মুখস্থ করা নিতান্তই বোকামি
, অসম্ভবও বটে।

বেসিক/রেফারেন্স বই:-

নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বইটি বিসিএস
প্রিপারেশন এর জন্য বাইবেল স্বরূপ। এই বই বুঝে বুঝে আত্মস্থ ও বেসিক জিনিস গুলো
মনে রাখতে পারলে প্রিলি ও লিখিত বিজ্ঞানের প্রায়
50% প্রস্তুতি শেষ। এই বইয়ের কোনো নির্দিষ্ট টপিক
বুঝতে সমস্যা হলে অষ্টম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই থেকে সেই সংশ্লিষ্ট টপিকটি দেখে
নিবেন অবশ্যই। নবম দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বইয়ের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ
প্রস্তুতির জন্য লাগবে নবম-দশম শ্রেণীর বিষয়ভিত্তিক রসায়ন পদার্থ আর জীববিজ্ঞান
বই তিনটি। সুতরাং বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বেসিক/রেফারেন্স বই নবম-দশম শ্রেণীর এই মোট চারটি
বই। তবে চারটি বইয়ের সম্পূর্ণ পড়া লাগবে না
, বিসিএস প্রিলিমিনারি সিলেবাস মিলিয়ে পড়বেন।

হাতে সময় কম
থাকলে অন্তত নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বইটি পড়ে গাইড বই পড়বেন।

বিজ্ঞানের জন্য
বাজারে সত্যিকার অর্থে কোনো পূর্ণাঙ্গ গাইড বই এখন পর্যন্ত আমি দেখি নাই। ভালো
নম্বর পেতে হলে নিজেকে সবকিছু মিলিয়ে গুছিয়ে পড়তে হবে। বেসিক ক্লিয়ার না করে
,
গভীরভাবে সিলেবাস না পড়ে
বিজ্ঞানে প্রিলিমিনারি রিটেনে ভালো করার কোনো শর্টকাট নেই।

এক্ষেত্রে আমি
আমার পার্সোনাল অভিজ্ঞতা থেকে একটা ছোট টিপস দিতে চাই। প্রথমে একবার নবম দশম
শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই বুঝে বুঝে দাগিয়ে রিডিং দেবেন। এরপর গাইড বই পড়ার
সময় পুনরায় গাইড বইয়ের টপিকসের সাথে মেলে এমন অংশগুলো সাধারণ বিজ্ঞান পদার্থ
রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বই এর সঙ্গে মিলিয়ে সেখান থেকে পড়ে গাইডের নৈবেত্তিক গুলো
দেখবেন। সব টপিকস এর জন্য এ কাজ করা লাগবে না যেগুলোতে আপনার নিজের দরকার (কঠিন
লাগে
, বুঝতে সমস্যা, মোস্ট ইম্পর্টেন্ট, ডিপ থেকে প্রশ্ন হয়, বড় পরিসর)। গাইড বইয়ের চ্যাপ্টার এর উপরে
রেফারেন্স বইয়ের নাম ও পাতার নম্বর লিখে পারেন বা আলাদা নোট খাতায় কোথা থেকে কোন
টপিকস পড়বেন এটা টপিকস ওয়াইজ লিখে রাখবেন
; এতে রিভিশনের সময় দ্রুতগতিতে শেষ করতে পারবেন,
নেক্সট যতবার বিসিএস
দেবেন কাজে দেবে। বিসিএস লেভেলের বিজ্ঞান সর্বসম্মত এবং ফিক্সড। নতুন করে আবিষ্কার
হয় না
, চেঞ্জ হয় না;
বাংলাদেশের ওয়াজ
বিজ্ঞানীরা যতই এন্টারকোটিক কিংবা ইসহাক নিউটন ইত্যাদি আবিষ্কার করে ফেলুক না
কেনো।

 সিলেবাস ভিত্তিক টপিকস কিছুটা ডিসকাস করে বিগত
সালের প্রশ্ন গুলো দেওয়া আছে।

গতানুগতিক
প্রফেসর
স স্টাইলে লিস্ট
আকারে তথ্যগুলো দিয়ে বিগত সালের প্রশ্ন গুলো টাইপ অনুসারে সাজানো।

জামিলস:

এমসিকিউ আকারে
নাই। লিখিত টাইপ প্রশ্ন করে কয়েক লাইনে উত্তর দেওয়া এবং এক কথার প্রশ্নগুলো
টপিকস অনুসারে সাজানো।

বিষয়ঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি

৩৫তম বিসিএস থেকে
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি প্রশ্ন পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় দিন দিন কম্পিউটার ও
তথ্য প্রযুক্তিতে প্রিলিমিনারি প্রশ্নের ধারা কঠিনতর হচ্ছে
, অনেক ডিপ লেভেল থেকে প্রশ্ন হচ্ছে, আনকমন প্রশ্ন আসছে, প্রাই সব টপিকস থেকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আসছে। 40 তম বিসিএস এর লিখিত পরীক্ষায় যে ধরনের প্রশ্ন
এসেছে তা শুধু ডিপার্টমেন্টাল/অ্যাপ্লাইড ফিজিকস স্টুডেন্টরাই মোটামুটি উত্তর করতে
পেরেছেন
; বাকিরা প্রায় এর ৬০%+ প্রশ্ন কোনদিন চোখেও
দেখেনি! তাই প্রিলিমিনারির জন্যই বেসিক ক্লিয়ার করে সিলেবাসের দেওয়া টপিকগুলো
বিস্তারিত না জেনে কোনো উপায় নাই।

বিসিএস
প্রিলিমিনারি সিলেবাসের ডিরেক্টলি অন্তর্ভুক্ত টপিকসের কোনো অংশ না বুঝে পড়বেন না
, বাদ দেবেন না । কম্পিউটারে ব্যাংক আর বিসিএস
লেভেলের প্রশ্নের মানের পার্থক্য অনেক বেশি। বিসিএসের জন্য কতখানি পড়বেন সেটা
বিসিএস ও পিএসসির অন্যান্য প্রশ্ন দেখে আর ব্যাংকের প্রশ্ন দেখে আপনাকে নিজেই বুঝে
নিতে হবে।

রেফারেন্স বই:-

প্রকৌশলী ডক্টর মুজিবুর রহমানের উচ্চ মাধ্যমিকের
জন্য লিখা ” তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি” বইটি অবশ্য পাঠ্য। সেই বইয়ের
কোনো অংশ বুঝতে সমস্যা হলে মাধ্যমিকের বোর্ড বই কিংবা গুগোল এর সহায়তা নিতে
পারেন।

See also  Admission to Class XI 2022 - xiclassadmission.gov.bd


Professor’s
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি:-

প্রয়োজনীয় তথ্য
মোটামুটি ডিটেলস আকারে বিসিএস এর সিলেবাস অনুযায়ী সাজানো গোছানো আছে। বিসিএস
, পিএসসির অন্যান্য পরীক্ষা , বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও ব্যাংকের পরীক্ষার
প্রশ্ন চ্যাপ্টার ওয়াইজ আলাদা আলাদা ভাবে চিহ্নিত করা আছে।


George Mp3 (easy computer):-

প্রফেসরস এর মতই
প্রায় একইভাবে সাজানো। কিন্তু আমার কাছে তথ্য খানিকটা অপর্যাপ্ত ও কম মনে হয়েছে।
38 তম 40 তম
প্রিলিমিনারির প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে সেই আলোকে প্রস্তুতি নিতে গেলে আমার মতে আর
একটু ডিটেলস পড়া লাগবে। তবে ম্যাক্সিমামের কাছে এই বইটি দেখি
, এমনকি আমি নিজেও ৩৮,৪০ বিসিএসের জন্য এটাই কিনেছিলাম।

self-suggestion
বেসিক কম্পিউটার
ও তথ্যপ্রযুক্তি:-

মূলত ব্যাংক
যাদের টার্গেট আর বিসিএস রিটেন কম্পিউটার অংশে সাপোর্ট যারা পেতে চান
, তাদের জন্য উপযোগী বইটা। বিসিএস প্রিলিমিনারি
কভার তো করবে
, কিন্ত এতো তথ্য বিসিএস
প্রিলির জন্য লাগবে না।

বইটিতে
স্ট্রাকচার্ড আকারে সবচেয়ে বেশি তথ্য এবং ডিটেলস। সিলেবাস ভিত্তিক আলোচনা করে
শেষে ডাইজেস্ট এর মত সারাংশ করে দেওয়া আছে। মাধ্যমিক
, উচ্চমাধ্যমিক সিলেবাসের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ
তথ্যগুলো আলাদাভাবে দেওয়া+শর্ট টেকনিক+মডেল টেস্ট আছে
; যা ইউনিক ও ইফেক্টিভ।

একমাত্র ঘাটতি
মনে হয়েছে
, অধ্যায় শেষে MCQ গুলো বিসিএস ও ব্যাংক আকারে আলাদাভাবে চিহ্নিত
করা নেই
; যা অন্তত কম্পিউটার সাবজেক্ট এর জন্য খুবই
জরুরী।

বিষয়ঃ সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলী, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী, ভূগোল)

সাধারণ জ্ঞানের
অংশ বিসিএস প্রিলিমিনারি কিংবা লিখিত পরীক্ষার মোট মার্কের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
কিন্তু অনেকে এখানে বোঝেনা কতটুকু পড়বে
, কিভাবে পড়বে। আমার মতে, সাধারণ জ্ঞান
পড়ার ক্ষেত্রে খুব বেশি কৌশলী হওয়া প্রয়োজন। সাধারণ জ্ঞান অংশটুকু জটিল করলে
জটিল হবে
, সহজ করলে সহজ। তখন সাধারণ জ্ঞানকে,
ওরে বেইমান, ওরে বেইমান” বলে গালি দেওয়া ছাড়া আর
কোনো কিছু করার থাকবে না।

বাংলাদেশ
বিষয়াবলী
, আন্তর্জাতিক
বিষয়াবলী ও ভূগোলের মোট ৬০ মার্কের মধ্যে আগেই ৭-৮ মার্ক সারেন্ডার করে বাদ দেন।
তারমানে আপনি এখানে আপনি প্রস্তুতি নেবেন মোট ৫২-৫৩ মার্কের জন্য। এই ৭-৮ মার্ক
সেক্রিফাইস যদি আপনি ঈমান শক্ত রেখে মন থেকে করতে পারেন
, তাহলে সাধারন জ্ঞানের প্রস্তুতি আপনার জন্য আর
কঠিন থাকবে না। আপনার পড়া অনেকখানি কমে যাবে। আপনার মাথা হাবিজাবি ইনফরমেশন দিয়ে
ভর্তি হবে না। বিশ্বাস করেন
, এভাবে যদি হাবিজাবি/
ডিপ ডিটেলস বাদ দিয়ে শুধু গুরুত্বপূর্ণ অংশটুকু কয়েকবার রিভিশন দিতে পারেন আপনি
অনেক সাধারণ জ্ঞান পন্ডিতের চেয়ে বেশি মার্ক পাবেন। কারণ সব পড়া পণ্ডিতরা ডিটেলস
সহকারে সাধারণ জ্ঞান যদি তিনবার দিতে পারে একটা নির্দিষ্ট সময়ে
, তাহলে আপনি সে নির্দিষ্ট সময়ে পাঁচবার রিভিশন
দিতে পারবেন। কম পরিসরে পাঁচবার রিভিশন দেওয়ার আউটপুট বেশি পরিসরে তিনবার রিভিশন
দেওয়ার চেয়ে কোনো ভাবেই কম হয় না!

শুধু কমন পড়লে
তো আর হবে না
, আপনাকে উত্তরটা
মনেও রাখতে হবে। আর সাধারণ জ্ঞান মনে রাখার ক্ষেত্রে রিভিশন এর ফজিলত সর্বাপেক্ষা
বেশি। অনেকবার আপনাদের বুঝিয়ে বলেছি
, বেশি পরিসরে পড়া প্রিলিমিনারি ফেল এর প্রধান কারণ। “বেসিক শক্ত করে কম
পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস গুলো পড়বেন আর সেটা বারবার পড়বেন” – এটাই প্রিলি
পাস এর মূলমন্ত্র। বিসিএস প্রিলিমিনারির জন্য ১৭০-১৮০ মার্কের মধ্যেই প্রিপারেশন
নেওয়া সবচাইতে কার্যকরি পন্থা। ২০০ মার্ক এর প্রিপারেশন নিতে যাওয়া বোকামি আর
আত্মঘাতী। এই ব্যাপারটা যত তাড়াতাড়ি আপনি বুঝবেন আর মন থেকে আমল করবেন
; ততই আপনার পাস করার সম্ভবনা বাড়তে থাকবে।

এখন কথা হলো কী
কী বাদ দেবেন। আসলে প্রাচীনকাল থেকে
1947 এর আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাস আর প্রাচীন কালের বিশ্বের ইতিহাস ছাড়া বলে
কয়ে বাদ দেবার মতো আর কিছু নেই। টেকনিকটা হলো – সিলেবাস সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর
মধ্যে কতখানি ডিটেলস আর ডিপ পড়বেন। এক্ষেত্রে প্রশ্নের প্যাটার্ন বোঝাটা
, কোথা থেকে, কিভাবে, কোন লজিকে প্রশ্ন হয় ইত্যাদি বোঝা খুবই জরুরী।
প্রশ্নের ধারা বুঝলেই আপনি সাধারন জ্ঞানে ভালো করতে পারবেন সহজেই।

একটা জিনিস খুব
ভালোভাবে মাথায় গেঁথে নেন – ফিক্সড কিছু বিষয় ছাড়া ( ভাষা আন্দোলন –
মুক্তিযুদ্ধ
, সংবিধান, সরকারব্যবস্থা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা ) বাকি
সিলেবাস অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলির মধ্যে ম্যাক্সিমামই সাম্প্রতিক এবং আলোচিত ইস্যু
থেকে আসে। এই সূত্র ধরেই আপনি ছিট মহল বিনিময় টপিকসে ২-৩ জিনিস মাথায় রাখবেন আর
সমুদ্র বিজয় টপিকসে সবগুলো ইম্পরট্যান্ট জিনিস মাথায় রাখবেন
; ঠিক তেমনি সার্স ভাইরাস আর গুরুত্বপূর্ণ নয়,
গুরুত্বপূর্ণ হলো করোনা
ভাইরাস
, ডেঙ্গু।

জাতীয়-আন্তর্জাতিক
শত শত দিবস
, স্থাপনা, স্থান, নদী, সাগর , লেক, চুক্তি , সংগঠন ইত্যাদি
সবকিছু ঢালাও ভাবে পড়ার দরকার নাই। মাত্র কয়েকটি করে সকল সময়ের জন্য
গুরুত্বপূর্ণ এবং সাম্প্রতিক আলোচিত কিনা সেই ভিত্তিতে পড়বেন। যতটুকু পড়বেন তার
মধ্যে যা যা কমন আসবে
, সেগুলো যেনো
পরীক্ষার হলে আনসার করে আসতে পারেন এভাবে বারবার রিভিশন দিয়ে পড়বেন। অনেক বেশি
পড়লেন
, পরীক্ষায় কমন
আসলো কিন্তু আপনি উত্তর মনে করতে পারলেন না – কোনো লাভ নেই এতে। এটিই হয় সাধারণ
জ্ঞানে ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে।

বিসিএস সিলেবাসের
বাইরেও গাইড বই গুলোতে অনেক তথ্য দেওয়া আছে। এগুলো পরিহার করা অত্যাবশ্যক। সেগুলো
থেকে হয়তোবা দুই একটা প্রশ্ন আসতে পারে
, এই 2-1 মার্ক আপনার
দরকার নাই। যে এসব পড়বে সে যে মনে রেখে ২-১ মার্ক পাবে তারও কোনো গ্যারান্টি নাই।
এভাবে সারা বিশ্বের সব দেশের ডিটেলস
, ভাষা, রাজধানী, মুদ্রা, ইতিহাস ইত্যাদি পড়তে যাওয়া অর্থহীন। শুধু
সাম্প্রতিক আলোচিত দেশসমূহের
, ঘটনা সমূহের
ইনফরমেশন গুলো দেখবেন। এভাবে
simply but smartly ৫২-৫৩ মার্কের প্রস্তুতি নেন এই ৬০ মার্কের
জন্য আর লিখিত সঙ্গে যে টপিকস গুলি মেলে সেগুলোর সারাংশ আর ডাটা যতটা সম্ভব মুখস্থ
করে।

বেসিক/রেফারেন্স বই:-

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম
শ্রেনি)

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (৯ম-১০ম শ্রেনি)

ভূগোল ও পরিবেশ (৯ম-১০ম শ্রেনি)

(প্রিলি প্রস্তুতি
এর জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকলে উপরের বইগুলো পড়া উচিত। এখান থেকেই ১০-১২ মার্ক
ডিরেক্টলি কমন থাকে। এই বইগুলোর তথ্য বাজারের সব গাইড এই আছে।)

বাংলাদেশের ইতিহাস – দেলোয়ার হোসেন

বিশ্ব রাজনীতির 100 বছর – তারেক শামসুর রেহমান

নয়া বিশ্বব্যবস্থা ও সমকালীন আন্তর্জাতিক
রাজনীতি – তারেক শামসুর রেহমান

(হাতে অনেক সময়
থাকলে
, একদম কংক্রিট
প্রস্তুতির জন্য
, বেসিক/কনসেপ্ট, ধারণা ক্লিয়ার করার জন্য উপরের এই তিনটি বই
দেখতে পারেন। তবে এগুলো দেখা একদমই আবশ্যক না। বিশ্ব রাজনীতি বা ভূরাজনীতি বা
প্রথম
, দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধ ইত্যাদি কোন বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে সেগুলো ইউটিউবে সার্চ করে নিয়ে
দেখাটাই বেশি কার্যকরী। বাংলা ও ইংলিশ উভয় মাধ্যমে এগুলো পাওয়া যায়।)

সংবিধান – আরিফ খান।

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ – Confidence
research work

(ুলত লিখিত পরীক্ষা আর ভাইভার জন্য খুব কাজের বই
দুটি। প্রিলির সময় পড়তে পারলে
, অনেক খানি এগিয়ে
যাবেন নি:সন্দেহে)

বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক ম্যাপ- জাহিদ সোহেল (সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতির জন্য
ম্যাপ এর বিকল্প নাই
, অ্যান্ড্রয়েড
অ্যাপও ব্যবহার করতে পারেন
।)

বাজারে বোধহয়
সাধারণ জ্ঞানের বই সবচেয়ে বেশি। তথ্য বিভ্রাট সব বইয়েই কমবেশি বিদ্যমান। একেবারে
মানহীন বই এরও অভাব নাই। তাড়াহুড়া করে ছাড়া এবং প্রথম দিককার এডিশনের বইগুলো
প্রায়শই ভয়াবহ হয়। তথ্য নিয়ে কনফিউশন থাকলে প্রথমে প্রায়োরিটি পাবে অর্থনৈতিক
সমীক্ষা
, বিবিএস রিপোর্ট।
এরপর বোর্ড বই
, রেফারেন্স বই।
তারপর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশনা
, বাংলাপিডিয়া (দুর্বল রেফারেন্স) । উইকিপিডিয়া কিংবা অন্য কোনো ওয়েবসাইট
কখনোই রেফারেন্স হিসেবে বিবেচিত নয়।

সংক্ষিপ্ত সাধারণ
জ্ঞান
(মান্না দে):-

বিসিএস সিলেবাস
কেন্দ্রিক বাহুল্য বর্জিত একটি বই। বাংলাদেশ
, আন্তর্জাতিক ও ভূগোল তিনটি বিষয় একসাথেই দেওয়া
আছে। হাবিজাবি জিনিস খুব কম। চাইলে এর মধ্যেও কিছু জিনিস বাদ দেওয়া যায়। সিলেবাস
প্রাসঙ্গিকভাবে সম্পূর্ণ কভার করবে। কোনো
MCQ প্রশ্ন নেই। ৫ম এডিশনে এসে মোটামুটি ভাবে বইটি
প্রায় নির্ভুল হলে উঠেছে।

George MP3 বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক ও ভূগোল:-

George mp3 সিরিজের সাধারণ
জ্ঞানের এই তিনটি বই আলাদা আলাদা ভাবে পাওয়া যায়। চ্যাপ্টার ভিত্তিক আলোচনা ও
তথ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন পরীক্ষার বিগত সালের প্রশ্ন গুলি দেওয়া আছে। ম্যাপ
,
টেবিল আকারে ডাটা ইত্যাদি
থাকায় বইটি পড়ে মজা পাওয়া যায়। তবে বিসিএস সিলেবাসের বাইরেও অনেক হাবিজাবি
জিনিস
, আলোচনা, তথ্য আছে। শুধু ভুগোলের জন্য Assurance টা আমার ব্যক্তিগতভাবে ভালো লেগেছিলো।

Professor’s বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক ও ভূগোল:-

প্রথাগত প্রফেসর
স্টাইলে অধ্যায়ভিত্তিক তথ্য সাজানো আছে বিগত প্রশ্নের সাথে। আমাদা আলাদা করে
বাজারে পাওয়া যায়। বিসিএস এর জন্য বিসিএস সিলেবাসের বাইরে আলোচনা গুলো বাদ দিয়ে
পড়তে হবে।

সাম্প্রতিক:-

পরীক্ষার কয়েক
সপ্তাহ আগে সাম্প্রতিক গুলো বের হয়। যেটার সাজানো ভালো লাগে
, হাবিজাবি তথ্য কম , প্রিসাইজ, নির্ভুলতার দিকে নজর আছে লেখকের এবং আপনার ভরসা
আছে সেইটাই পড়বেন ।

বিষয়ঃ নৈতিকতা মূল্যবোধ সুশাসন

35 তম বিসিএস থেকে
প্রশ্ন পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় কনফিউজিং প্রশ্নের ভান্ডার এই পার্ট। কিছু কিছু
প্রশ্নের উত্তর যে কী হবে আসলে সেটা এখন পর্যন্ত প্রশ্নকর্তা ছাড়া কেউই জানেনা। কিছু
প্রিভিয়াস প্রশ্ন সহ অনেকগুলো প্র্যাকটিসের জন্য প্রশ্নের ব্যাখ্যা ও উত্তর এক এক
গাইড বইয়ে এক এক রকম। কোনটা যে সঠিক তা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের বাইরে। খুব বেশি
চিন্তা না করাই ভালো এসব প্রশ্ন নিয়ে। আমরা যেহেতু জাতিতে বাঙালি সেহেতু এসব
জিনিস আমাদের মাথায় ঢুকবে না – এটাই সাইন্স।

পরীক্ষার হলে
কনফিউজিং প্রশ্নের উত্তর না করতে যাওয়াই ভালো। কারণ এগুলো বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা
করে একাধিক উত্তর লজিক্যালি দাঁড় করানো সম্ভব। ইনফরমেটিভ যেসব প্রশ্ন আসে যেমন
সাল
, কে ব্যাখ্যা করেছে,
কোন লেখকের এর বই এটা,
কোন প্রতিষ্ঠান কী,
টার্ম এর সংজ্ঞা, কার কোটেশন, উপাদান কী ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে
করবেন।

আর ডিসিশন মেকিং
প্রশ্নের ক্ষেত্রে ধরে নেবেন আপনার সামনে এখন চারটি উপায়ই আছে। এর মানে হলো বিয়ে
বাড়িতে কাপড় নষ্ট হওয়া
, গাড়ির মধ্যে
থাকাকালীন ঝড়-বৃষ্টি শুরু হওয়া
, হৈচৈ করা ইত্যাদি
ইত্যাদি ক্ষেত্রে কি করণীয় সেগুলোর জন্য যে অপশন গুলো দেওয়া থাকবে সেইগুলো
প্রত্যেকটি আপনার সামনে এভাইলেবল এইটা ভেবে সবগুলো অপশন চিন্তা করবেন।

বেসিক/রেফারেন্স বই:-

প্রফেসর
মোজাম্মেল হকের উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র। সিলেবাস এর সঙ্গে যে
অধ্যায়গুলো মেলে সেগুলো শুধু। এই বইয়ের থাকা সামান্য কয়েকটা
MCQ গুলো একেবারে কণ্ঠস্থ করে ফেলবেন। এছাড়াও
যেকোনো একটা ডাইজেস্ট থেকে এই অংশটুকু পড়ে নিলে ভালো হয়।

Assurance ভূগোল ও সুশাসন,
নৈতিকতা:-

এদের সাজানোর
সিস্টেমটা ভালো লেগেছে। হাবিজাবি জিনিস কম। মোটামুটি এমসিকিউ আছে। তবে আলাদা ভাবে
বইটা নেই
; ভূগোল+সুশাসন,
নৈতিকতা একসাথে।

গতানুগতিক mp3 স্টাইলে বর্ণনা ও এমসিকিউ প্রশ্ন সাজানো আছে।

গতানুগতিক
প্রফেসরস স্টাইলে বর্ণনাও এমসিকিউ প্রশ্ন সাজানো

ডাইজেস্ট”
শব্দের অর্থ দুটি- হজম করা
, সারসংক্ষেপ। আমি
ডাইজেস্ট মানে বুঝি বড় পরিসরে প্রয়োজনীয় প্রিপারেশন নিয়ে পরীক্ষার আগে সেগুলোর
রিভিশন উপযোগী সারসংক্ষেপ যে একক বই থেকে পড়া হয়। অনেক কিছু পড়লেন
, সেগুলোর সারসংক্ষেপ হজম করতে ডাইজেস্ট। এটাই
হলো আমার ভিউ ডাইজেস্ট সম্পর্কে।

তবে 38 বিসিএস এর পর থেকে “ডাইজেস্ট” নামটি
বহুমাত্রিক প্রত্যয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। এক ফাইলই যথেষ্ট
, প্রস্তুতি শুরু হোক ডাইজেস্ট দিয়ে, ডাইজেস্টই হলো আসল ইত্যাদি টাইপের নানা টার্মে
অহরহ ব্যবহার করতে শুনি। যাই হোক
, আমি ডাইরেক্টলি এ
ব্যাপারে কোনো কিছু বলছি না। বরং আমি কিছু ফ্যাক্ট আর আমার নিজস্ব অবজারভেশন
জানাচ্ছি। বাকি সিদ্ধান্ত আপনাদের।

*** বাজারে প্রচলিত
ডাইজেস্টগুলো থেকে প্রশ্নের মান অনুযায়ী “মোটাদাগে”
80 থেকে 110 মার্ক কমন পাবেন পরীক্ষায় । আমার বাকি
অবজারভেশন গুলো হলো:

বেসিক স্ট্রং হলে+মুখস্ত বিদ্যা ভালো/মেধাবী
হলে একটি ডাইজেস্ট
+একটি সাম্প্রতিকের বই
বিসিএস প্রিলি পাশ করতে যথেষ্ট।

বেসিক মোটামুটি স্ট্রং+পড়ুয়া+মোটামুটি মেধাবী
হলে একটি ডাইজেস্ট+একটি জব সলিউশন+একটি সাম্প্রতিক বিসিএস প্রিলি পাশ করতে যথেষ্ট।

বেসিক দুর্বল হলে কিয়ামত পর্যন্ত বাজারের সব
কয়টা ডাইজেস্ট গিলে খেলেও বিসিএস প্রিলি পাশের সম্ভাবনা খুব খুব খুবই কম।

ডাইজেস্ট এর একটি ভালো দিক হলো এটি শুধু বিসিএস
প্রিলি পরীক্ষাকে সম্পূর্ণ প্রায়োরিটি দিয়ে রচিত হয়। গাইড বই এর মত বিসিএস
সিলেবাসের বাইরের জিনিস
, অন্যান্য
পরীক্ষার জন্য লাগবে এমন জিনিস কিংবা হাবিজাবি জিনিস থাকে না বললেই চলে। আমার মতে
এটাই ডাইজেস্ট এর মোস্ট ইম্পর্টেন্ট ফিচার।

অন্যান্য বই না পড়ে শুধু ডাইজেস্ট নির্ভরতায়
বিসিএস প্রিলিমিনারি পাশ করলে লিখিত পরীক্ষার সময় কিছুটা অসুবিধায় পড়তে পারেন।

বিসিএস প্রিলি পাস করতে ডাইজেস্ট কোনো
অবস্থাতেই লাগবেই লাগবে এমন কিছু না। প্রয়োজনীয় রেফারেন্স বই পড়ার পর একসেট
গাইড আর একটি সাম্প্রতিক পড়েও ভালোভাবে বিসিএস প্রিলি পাশ করা যায়। আপনি যদি
বিসিএস সিলেবাসের কোন গুলো গুরুত্বপূর্ণ/কোন গুলো বাদ দিতে হবে/ কোনগুলো লেন্দি
টপিকস/ কোথায় পড়লে মার্কস আসবেই/ রিভিশন এর সময় কোন জিনিস গুলো বারবার দেখতে
হবে/ প্রশ্নের ধারা কেমন হয় ইত্যাদি জানেন
,বোঝেন তাহলে আপনি ডাইজেস্ট এর চেয়েও
দ্রুতগতিতে এবং আরো ইফেক্টিভ ওয়েতে গাইড বই গুলো রিভিশন দিতে পারবেন। আউটপুট অনেক
বেশি আসবে।

মোটামুটিভাবে
বাহুল্যবর্জিত আভিধানিক অর্থে ডাইজেস্ট। রেফারেন্স ও গাইড বই ভিত্তিক প্রস্তুতি
নেবার পর পরীক্ষা আগে দিয়ে রিভিশনের জন্য উপযোগী।

সাজানো, গোছানো এবং পরিচ্ছন্ন। ডাটাগুলোর উপস্থাপনা বেশ
ভালো। খাপছাড়া তথ্য নেই। সমস্ত বিষয়ের শেষে বিসিএস এর বিগত প্রশ্ন গুলো
MCQ
আকারে একসঙ্গে দেওয়া।

অগ্রদূত:-

প্রকৃত অর্থেই
সারসংক্ষেপ দেওয়া। অপ্রয়োজনীয় তথ্য একেবারেই নেই। সুখপাঠ্য। বিগত বিসিএস
বিষয়ভিত্তিক
MCQ ও আছে।

প্রফেসর ডাইজেস্ট
এর একটা ইউনিক ব্যাপার হলো অধ্যায়ভিত্তিক বিগত সালের প্রশ্ন গুলো প্রতিটা তথ্যের
পাশে লিখে দেওয়া। সবকিছুই গতানুগতিক প্রফেসরস স্টাইলে।

ইনসেপশন:-

প্রচুর তথ্য,
টেবিল, চিত্র ইত্যাদি বিশদভাবে দেওয়া। ভিন্নধর্মী
উপস্থাপনা।

বইগুলো একান্তই
আমার নিজের
38 40 তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত দেবার অভিজ্ঞতা
ও পড়াশোনার আলোকে এবং বাজারের বেশ কয়েকটি বই পর্যাপ্ত সময় নিয়ে পর্যালোচনা করে
দেওয়া ব্যাক্তিগত সাজেশন। কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়নি এই লিস্ট
;
শুধু ধারণা দেবার জন্য
বিনা সমালোচনায় আমার দ্বারা যতটুকু সম্ভব হয়েছে ততটুকুর মধ্যে বলেছি। দ্বিমত
থাকতেই পারে। আমার বুকলিস্টের বাইরেও আপনারা বাজারে থাকা আরও অন্যান্য বই দেখতে
পারেন
, পড়তে পারেন,
কিনতে পারেন।

লেখকঃ 

Rudra
Anwar

BCS Preliminary Book List and Guideline By Rudra Anwar

━ more like this

BOF Exam Result 2022

BOF Examination End result. BOF Examination End result 2022 has been revealed by the Authority. Now you may simply Bangladesh Ordnance Factories...

3 Patti Gold Mod Apk

Love taking part in on line casino video games and wish to get wealthy? Properly, 3 Patti Gold Mod Apk recreation is made...

Birth Certificate Verification (জন্ম নিবন্ধন যাচাই) Online birth certificate verification

Beginning Certificates Verification On-line delivery certificates verification. The delivery registration needs to be verified, for this, it's important to go to the delivery...

SSC agriculture suggestion 2022 pdf : Important questions for all board

SSC agriculture suggestion 2022 pdf (Chapter-wise essential CQ/questions for dhaka board and all others board) has given right here. This topic's examination will...

MOA Job Circular 2022 – www.moa.gov.bd

MOA Job Round. MOA Job Round 2022 has been revealed by the Authority. In line with the round handed college students may...